মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

রাউজানের পটভূমি

 

সমুদ্র কন্যা রূপ গরবীনী চট্টলার অতি আদরের দুলালী, বীর প্রসবিনী রাউজান।প্রকৃতির অকৃপণ দানে ঋদ্ধ, সংস্কৃতি ও সভ্যতার আলোকে পরিপুষ্ঠ এক, জ্ঞানের অনির্বাণ শিখায় প্রদীপ্ত আলোকময় এক মানব গোষ্ঠির বিকাশ ঘটেছে দক্ষিন চট্টগ্রামের প্রায় আড়াইশ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে।প্রচুর মানব সম্পদ(জনসংখ্যা=প্রায় সাড়ে তিন লাখ, সুত্রঃ অদম শুমারী ২০০১খৃঃ)ও প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর, অপরূপা রাউজানের রয়েছে অত্যন্ত সুসমৃদ্ধ ইতিহাস। তবে স্থান ও সময়ের অভাবে আমরা এখানে আমি শুধু রাউজানের সম্পদ ও সম্ভাবনা নিয়ে খুবই সংক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করবো। নামকরণ ঃ রাউজান উপজেলার প্রাচীন ইতিহাসের সাথে বৌদ্ধ উপনিবেশের সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত।জানা গেছে যে, রাউজানে আদি বসতি স্থাপনকারী হলো বৌদ্ধরা। বিনাজুরীতে প্রায় ৪ শত বছরের প্রাচীন বৌদ্ধবিহার রয়েছে। রাউজান এলাকার নামকরণের সাথেও বৌদ্ধ ঐতিহ্য জড়িত। কারন মোগল সুবেদার শায়েস্তা খান কর্তৃক ১৬৬৬ খৃষ্টাব্দে চট্টগ্রাম বিজয়ের প্রায় ১০০০ বছর পূর্ব থেকে সারা চট্টগ্রাম অঞ্চলই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মগ বা আরাকানীদের অধিকারে ছিল।ফলে রসিকতা করে অনেকে চট্টগ্রামকে ‘মগের মুল্লুক’ও বলতেন।সে অনুযায়ী ধারণা করা হয় যে, রাউজানও একসময় আরাকান রাজ্যের অন্তর্গত ছিল। আরাকানী ভাষায় এটিকে বলা হতো ‘রজোওয়াং’ বা রাজ পরিবারের ভূমি। আর এ নামের অপভ্রংশ থেকেই রাউজান নামের উৎপত্তি হয়েছে বলে বিশিষ্ট পন্ডিতগণের ধারণা।


Share with :

Facebook Twitter